একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র জন্ম নিয়েছিল — তারপর থেকে তর্ক চলছেই

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল চারটি মূলনীতি বুকে নিয়ে — জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, আর ধর্মনিরপেক্ষতা। চারটির মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত, সবচেয়ে বেশিবার সংশোধিত, সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত, আর সবচেয়ে বেশি ভুল বোঝানো হয়েছে শেষটাকে। পঞ্চাশ বছরের বেশি পরেও বাংলাদেশ একই তর্ক করছে — আর ২০২৫ সালে সেই তর্ক আরও জরুরি হয়ে উঠেছে, কারণ সংবিধান সংস্কার কমিশন "ধর্মনিরপেক্ষতা" শব্দটিকে "বহুত্ববাদ" দিয়ে প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে।

সংবিধানের দুটো শব্দ নিয়ে এত রাজনৈতিক উত্তাপ কেন — সেটা বুঝতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতারা ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে আসলে কী বুঝিয়েছিলেন। আর তারপর বুঝতে হবে পরের দশকগুলোতে রাজনৈতিক শ্রেণি সেই অর্থকে কীভাবে বিকৃত করে গেছে।

শেখ মুজিব আসলে কী বলেছিলেন

শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশি প্রেক্ষাপটে ধর্মনিরপেক্ষতার মানে নিয়ে সরাসরি ছিলেন। এটা ধর্মহীনতা নয় — তার কথাগুলো স্পষ্ট ছিল: হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ তাদেরটা পালন করবে। কেউ কারো ধর্মীয় বিশ্বাসে হস্তক্ষেপ করবে না। রাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না।

এটা ছিল পাকিস্তানের অভিজ্ঞতার একটা সচেতন প্রতিক্রিয়া — যেখানে ইসলামকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয় দমন করতে, বৈষম্য ন্যায়সংগত করতে, আর শেষ পর্যন্ত ১৯৭১-এর গণহত্যাকে বৈধতা দিতে। বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্মবিরোধী ছিল না — এটা ছিল ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে। ধর্ম এত পবিত্র যে সেটাকে রাজনৈতিক অস্ত্র বানানো যাবে না — এটাই ছিল মূল কথা।

১৯৭২-এর সংবিধান এই দর্শনকে ধারণ করেছিল। অনুচ্ছেদ ৮ ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় নীতির মৌলিক নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। অনুচ্ছেদ ১২ আরও বিস্তারিতভাবে বলে — রাষ্ট্র কোনো ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেবে না, নাগরিকদের ধর্মীয় বৈষম্য থেকে রক্ষা করবে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়েছিল — ১৯৭১-এ জামায়াতে ইসলামীর স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা ও গণহত্যায় সম্পৃক্ততার সরাসরি পরিণতি।

কীভাবে ভাঙল — আর কখন

এই ভিত্তি এক দশকও টেকেনি। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবকে হত্যা করা হলো। সামরিক সরকার এলো। ১৯৭৭ সালে সামরিক আইন প্রশাসক জিয়াউর রহমান সংশোধনী এনে সংবিধান থেকে "ধর্মনিরপেক্ষতা" সরিয়ে দিলেন। সংবিধানের প্রস্তাবনায় বিসমিল্লাহ যোগ হলো, "ধর্মনিরপেক্ষতা"র জায়গায় এলো "সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস।" ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের উপর নিষেধাজ্ঞা উঠে গেল।

১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলে সংসদ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করল — এই পদক্ষেপ সেই সাংবিধানিক দ্বন্দ্ব তৈরি করল যার মধ্যে বাংলাদেশ তখন থেকে বাস করছে। একটি দলিল যেটা একই সাথে বলছে সব ধর্মের সমান মর্যাদা আর একটিকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে মনোনীত করছে।

২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিল যে জিয়ার ১৯৭৭-এর সংশোধনী অসাংবিধানিক ছিল — কারণ এটা আনা হয়েছিল অবৈধ সামরিক শাসনের মাধ্যমে। ধর্মনিরপেক্ষতা আবার ফিরে এলো। ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনী এই পুনর্বহালকে নিশ্চিত করল — আর একই সাথে ২(ক) অনুচ্ছেদে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল রাখল। এখন বাংলাদেশের সংবিধানে কার্যত দুটো কথাই আছে — আমরা একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র যেখানে সব ধর্ম সমান, আর ইসলাম আমাদের রাষ্ট্রধর্ম।

আইনবিদরা তখন থেকে এর অর্থ নিয়ে তর্ক করছেন।

২০২৫-এর সংস্কার বিতর্ক: বাদ দেবেন না শক্তিশালী করবেন?

মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশন এমন একটি প্রস্তাব দিয়েছে যেটা বিতর্ককে নতুন তীব্রতা দিয়েছে: মৌলিক নীতি হিসেবে "ধর্মনিরপেক্ষতা" সরিয়ে "বহুত্ববাদ" আনা। কমিশনের যুক্তি হলো বহুত্ববাদ বাংলাদেশের সমাজের বৈচিত্র্যকে ভালোভাবে ধরে এবং দশকের পর দশক অপব্যবহারে "ধর্মনিরপেক্ষতা" শব্দটির গায়ে লাগা রাজনৈতিক বোঝা এড়ায়।

সমালোচকরা এতে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন — আর তাদের সমালোচনা কেবল আবেগী নয়। বিশ্লেষকরা যেমন বলছেন, ধর্মনিরপেক্ষ না হয়ে একটি রাষ্ট্র সত্যিকার অর্থে বহুত্ববাদী হতে পারে না। সত্যিকারের বহুত্ববাদ — যেখানে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্তরে কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায় অপরের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় নেই — দাবি করে যে রাষ্ট্র নিজে ধর্মীয় প্রশ্নে নিরপেক্ষ থাকবে। "ধর্মনিরপেক্ষতা"র জায়গায় "বহুত্ববাদ" লিখে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম রেখে দিলে দ্বন্দ্বের সমাধান হয় না — শুধু নতুন নাম পায়।

এই বিতর্কের প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে সীমান্তের ওপারে ভারতেও। সেখানে ক্ষমতাসীন BJP ও তার সহযোগীরা ভারতীয় সংবিধান থেকে "সেকুলার" শব্দটি সরানোর দাবি তুলছে। দুটো দেশ একই সময়ে পুনর্বিবেচনা করছে ধর্মীয় নিরপেক্ষতার প্রতি তাদের প্রতিষ্ঠাতা অঙ্গীকারের মানে কী — আর সেটা বাদ দেওয়া বা নতুন সংজ্ঞা দেওয়ার মানে কী।

সংখ্যালঘু এবং মাটির বাস্তবতা

সাংবিধানিক বিতর্ক বিমূর্ত মনে হতে পারে — কিন্তু বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি সেটাকে কংক্রিট করে তোলে। বাংলাদেশের সংবিধান একই সাথে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের সমান মর্যাদার নিশ্চয়তা দেয় এবং ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম বলে। অনুচ্ছেদ ৪১ প্রতিটি নাগরিকের নিজ ধর্ম পালন, বিশ্বাস ও প্রচারের অধিকার নিশ্চিত করে। এগুলো বাস্তব সুরক্ষা।

কিন্তু সাংবিধানিক নিশ্চয়তা আর বাস্তব জীবনের মধ্যকার ফাঁকটা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দৃশ্যমান হয়েছে। জাতিসংঘ শুধু ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ২,৯২৪টি হামলার নথি তৈরি করেছে। এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত হিন্দু মূর্তিতে হামলার খবর আসতে থেকেছে। অক্টোবর ২০২৪-এ পটুয়াখালীতে ২১টি হিন্দু পরিবার দেড় একর জমি দখলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। আহমদিয়া মুসলিম নেতারা তাদের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতার কথা বলছেন।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস প্রকাশ্যে বলেছেন নতুন বাংলাদেশে ধর্মের ভিত্তিতে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। কিন্তু সাংবিধানিক সংস্কার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করে কিনা, দুর্বল করে কিনা — সেটা সবচেয়ে ঝুঁকিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ একা নয়

ধর্ম ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রাম অনন্য নয় — তবে এর নিজস্ব সংস্করণে কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যেগুলো মনোযোগ দেওয়ার দাবি রাখে। ফ্রান্সের "লাইসিতে" — ধর্মকে সম্পূর্ণভাবে পাবলিক জীবন থেকে আলাদা রাখা — একটা প্রান্ত। ফ্রান্স নিজেও সংকটের মুখোমুখি হয়েছে হিজাব, হালাল খাবার, পাবলিক স্পেসে ধর্মীয় প্রকাশের সীমা নিয়ে। একসময় আলোকায়নের অর্জন বলে বিবেচিত ফরাসি সেকুলারিজম এখন নিজেই বিতর্কিত রাজনৈতিক হাতিয়ার।

তুরস্ক আরেকটি সংস্করণ — সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী, যেখানে আতাতুর্কের উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া সেকুলারিজম কখনো পুরোপুরি মেনে নেওয়া হয়নি। এরদোয়ানের AKP দুই দশক ধরে সাংবিধানিক কাঠামো আনুষ্ঠানিকভাবে না বদলিয়েও রাষ্ট্রীয় শাসনে ইসলামি প্রতীকবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে চলেছে।

বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়া পঞ্চশীলার ভিত্তিতে চলে — একটি রাষ্ট্রদর্শন যেটা একেশ্বরবাদকে স্বীকার করে কিন্তু কোনো ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করে না। ইন্দোনেশিয়ার এই মডেল প্রায়ই উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হয় যে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজ আনুষ্ঠানিক সেকুলারিজম ছাড়াও কার্যকর ধর্মীয় বহুত্ববাদ বজায় রাখতে পারে।

এই সব উদাহরণে একটি মূল উপলব্ধি একই — যেটা ১৯৭২-এ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতারাও বুঝেছিলেন। প্রশ্নটা এই নয় যে সমাজে ধর্ম গুরুত্বপূর্ণ কিনা। প্রশ্ন হলো ধর্ম ও রাষ্ট্রক্ষমতার সম্পর্ক কে নিয়ন্ত্রণ করে — আর সেই সম্পর্ক খারাপভাবে পরিচালিত হলে সংখ্যালঘুদের কী হয়।

যে বাক্যাংশটা সবকিছু ধরে

বাংলাদেশে একটা সাংস্কৃতিক বাক্যাংশ আছে যেটা ধর্মনিরপেক্ষতার সমর্থকরা বারবার উদ্ধৃত করেন: "ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।" এটা কোটি কোটি বাংলাদেশি মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের বাস্তবতাকে ধরে — ব্যক্তিগত আচরণে গভীরভাবে বিশ্বাসী, কিন্তু ধর্মীয় সীমা পেরিয়ে সামাজিক উৎসব ভাগ করে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ঈদ, পূজা, বড়দিন — অনেক বাংলাদেশি সমাজে এগুলো কেবল একটি ধর্মের মালিকানায় নয়, বৃহত্তর সামাজিক অংশগ্রহণের উপলক্ষ।

এই সাংস্কৃতিক বাস্তবতাই সাংবিধানিক কাঠামো যাই বলুক — ধর্মনিরপেক্ষ, বহুত্ববাদী, বা অন্য কিছু — রক্ষা করার সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তি। বিপদ এই নয় যে বাংলাদেশিরা ধর্মীয় সহাবস্থানে অক্ষম। প্রমাণ বলছে তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এটা করে আসছেন। বিপদ হলো রাজনৈতিক অভিনেতারা সাংবিধানিক কাঠামো ব্যবহার করে সেই জীবন্ত সহাবস্থানকে বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রক্ষমতা দিয়ে ওভাররাইড করেন।

সংবিধানের আসলে কী করা দরকার

ধর্মনিরপেক্ষতা ও বহুত্ববাদ নিয়ে বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিতর্ক শেষ পর্যন্ত একটা প্রশ্নের বিতর্ক — ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কাছে কী দায়বদ্ধ। ব্যবহারিক দাবিগুলো পরিভাষার বিতর্কের চেয়ে স্পষ্ট।

ধর্মীয় ঐতিহ্যের উপর ভিত্তি করে পারিবারিক আইন বিভিন্ন ধর্মের নাগরিকদের জন্য ভিন্ন আইনি বাস্তবতা তৈরি করে। বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২-এর অধীনে সিভিল বিবাহ করতে হলে এখনো নিজের ধর্ম ত্যাগের প্রয়োজন — যেটা কার্যত আন্তঃধর্মীয় দম্পতিদের শাস্তি দেয় যারা ধর্মীয় পরিচয় না হারিয়ে বিয়ে করতে চান। এটা এমন একটা কংক্রিট জায়গা যেখানে সাংবিধানিক মূল্যবোধ আর আইনি অনুশীলন আলাদা পথে যাচ্ছে।

ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত জমি দখল, সহিংসতা ও বৈষম্য থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষার জন্য শুধু সাংবিধানিক ঘোষণা নয়, দাঁতযুক্ত প্রয়োগ ব্যবস্থা দরকার। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ২,৯২৪টি নথিভুক্ত হামলা এই কারণে হয়নি যে বাংলাদেশের সংবিধান ধর্মীয় বৈষম্য নিষিদ্ধ করেনি — সেটা স্পষ্টতই নিষিদ্ধ করেছে। এগুলো হয়েছে কারণ প্রয়োগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল আর রাজনৈতিক অভিনেতারা অস্থিরতার সময়ে সংখ্যালঘু সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ তার মৌলিক নীতির নাম "ধর্মনিরপেক্ষতা" রাখুক বা "বহুত্ববাদ" — কার্যকর প্রশ্ন হলো রাষ্ট্র ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সমান সুরক্ষা প্রয়োগ করবে কিনা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হলে আইনি প্রতিকার পাবে কিনা, আর রাজনৈতিক অভিনেতারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠ মনোভাব জাগাতে ধর্মকে হাতিয়ার করতে পারবে কিনা।

শেখ মুজিবের মূল কথাটাই এখনো সবচেয়ে স্পষ্ট পথ দেখায়: ধর্ম এত পবিত্র যে সেটাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানো যাবে না। সংবিধানের কাজ হলো নিশ্চিত করা যে সেটা হবে না। প্রস্তাবনায় যে শব্দই লেখা হোক, বাংলাদেশকে এই নীতিটাই সত্যিকার অর্থে পালন করতে হবে।

win-tk.org হলো wintk-এর একটি প্রকাশনা — বিশ্লেষণাত্মক সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতি, সাংবিধানিক বিতর্ক ও সামাজিক পরিবর্তন কভার করে।